মহাদেশ পরিচিতি – এশিয়া

by
Nov 11, 2015
681 Views
Comments Off on মহাদেশ পরিচিতি – এশিয়া
0 0
  • এশিয়া পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ, যার অধিকাংশ অঞ্চল পূর্ব ও উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত।
  • এশিয়ার আয়তন ৪,৪৫,৭৯,০০০ বর্গকিমি (১,৭২,১২,০০০ বর্গমাইল) যা ভূপৃষ্ঠের ৮.৭% ও স্থলভাগের ৩০% অংশ জুড়ে অবস্থিত।
  • প্রায় ৪৩০ কোটি মানুষ নিয়ে এশিয়াতে বিশ্বের ৬০%-এরও বেশি মানুষ বসবাস করেন, বিংশ শতাব্দীর সময়, এশিয়ার জনসংখ্যা প্রায় চারগুণ বেড়ে গেছে, বিশ্ব জনসংখ্যার মতে।
  • এশিয়ার সীমানা সাংস্কৃতিকভাবে নির্ধারিত হয়, যেহেতু ইউরোপের সাথে এর কোনো স্পষ্ট ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতা নেই, যা এক অবিচ্ছিন্ন ভূখণ্ডের গঠন যাকে একসঙ্গে ইউরেশিয়া বলা হয়।
  • ইউরাল পর্বতমালা, ইউরাল নদী, কাস্পিয়ান সাগর, কৃষ্ণসাগর এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা এশিয়া ও ইউরোপ মহাদেশ দুটি পরস্পর হতে বিচ্ছিন্ন। এছাড়া লোহিত সাগর ও সুয়েজ খাল এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা থেকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সংকীর্ণ বেরিং প্রণালী একে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে।
  • এশিয়ার সবচেয়ে সাধারণভাবে স্বীকৃত সীমানা হলো সুয়েজ খাল, ইউরাল নদী, এবং ইউরাল পর্বতমালার পূর্বে, এবং ককেশাস পর্বতমালা এবং কাস্পিয়ান ও কৃষ্ণ সাগরের দক্ষিণে। এটা পূর্ব দিকে প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণে ভারত মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর দ্বারা বেষ্টিত।
  • এশিয়া মূলত গ্রিক সভ্যতার একটি ধারণা। “এশিয়া”, অঞ্চলের নাম, আধুনিক ভাষার বিভিন্ন আকারের মাঝে এর চূড়ান্ত উৎপত্তিস্থল অজানা। এর ব্যুৎপত্তি এবং উৎপত্তির ভাষা অনিশ্চিত। এটা নথিভুক্ত নামগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রাচীন নামের একটি। অনেকগুলো তত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। ল্যাটিন সাহিত্য থেকে ইংরেজি সাহিত্যের গঠন হওয়ার সময়কালে ইংরেজি এশিয়ার খোঁজ পাওয়া যায়, তখনও একই গঠন ছিল এশিয়া। সমস্ত ব্যবহার এবং নামের গঠন রোমান সাম্রাজ্যের ল্যাটিন থেকে আহরণ করা কিনা সে সম্পর্কে নিশ্চিত কিছু বলা যায় না।

এক নজরে এশিয়াঃ

আয়তন – ৪,৪৫,৭৯,০০০ বর্গকিমি (১,৭২,১২,০০০ বর্গমাইল)

জনসংখ্যা – ৪,১৬৪,২৫২,০০০ জন

জনঘনত্ব – ৮৭/বর্গকিমি (২২৫/বর্গ মাইল)

অধিবাসীদের নাম – এশীয়

দেশের সংখ্যা – ৪৯ (এবং অমীমাংশিত ৫)

ভাষাসমূহ – এশিয়ার ভাষা

সময় অঞ্চলসমূহ – ইউটিসি+০২ থেকে ইউটিসি+১২

বৃহত্তম শহর – টোকিও, জাপান (জনসংখ্যায়) (২০১২)

Article Categories:
বিশ্বজগৎ