উয়েফা

by
Apr 2, 2015
223 Views
Comments Off on উয়েফা

ইউরোপ মানেই ফুটবলের জয়জয়কার। তার অন্যতম কারণ ইউরোপীয়ানরা ভীষণ ফুটবল প্রেমী। সময় পেলেই টিকিটের টাকা খরচ করে একটি ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে তাদের কোন দ্বিধা নেই। ইউরোপে খেলাধুলার যত আসর বসে তার সবটাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকে “উয়েফা” নামক একটি প্রতিষ্ঠান যার পুরো নাম ইউনিয়ন অব ইউরোপীয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন৷ পুরো ইউরোপের জাতীয় ফুটবল এসোসিয়েশনগুলি এই সংস্থার সদস্য৷

উয়েফা মূলত  ইউরোপে জাতীয় ও দলগত পর্যায়ে প্রতিযোগিতা পরিচালনা, খেলোয়াড়ের প্রাইজমানি ও গণমাধ্যম প্রচারণাস্বত্ব এবং খেলার নিয়ম-শৃংখলা রক্ষার কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদন করে৷

বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এশিয়া ও ইউরোপের মাঝামাঝি হওয়া সত্ত্বেও, তারা এএফসির সদস্য না হয়ে উয়েফার সদস্য হয়েছে৷ আর তারা হল সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, তুরস্ক, কাজাকস্তান, রাশিয়া ও আজারবাইজান৷

ফিফার ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার মধ্যে উয়েফা সবচেয়ে শক্তিশালী৷ শুধু তাই নয়, বিশ্বের প্রায় সব উঁচুমানের খেলোয়াড়রা বিভিন্ন ইউরোপীয় লীগে খেলে থাকেন, কেননা এখানে তাদের বেতন ও অন্যান্যসুবিধা তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি৷ আর বিশ্বের বিত্তমান ফুটবল দলগুলির সিংহভাগই ইউরোপে খেলে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – ইংল্যান্ড, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের লীগ৷ তাই বিশ্বের শক্তিশালী জাতীয় ফুটবল দলের বেশিরভাগই ইউরোপের৷

বিশ্বকাপে ৩২-টি দেশের মধ্যে ১৪-টি দেশ ইউরোপের জন্য বরাদ্দ এবং বিশ্ব ফুটবল রাঙ্কিং-এ শীর্ষ ২০-টি দলের ১৬-টিই উয়েফার সদস্য৷
১৯৫৪ সালের ১৫-ই জুন সুইজারল্যান্ডের বাসেলে ফ্রান্স, ইটালি ও বেলজিয়ামের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার ফল হিসেবে উয়েফা প্রতিষ্ঠিত হয়৷ ১৯৫৯ পর্যন্ত উয়েফার সদর দপ্তর ছিল প্যারিসে৷ পরবর্তীতে তা বার্নে স্থানান্তরিত করা হয়৷ হেনরি দেলানয় প্রথম মহাসচিব এবং এবে স্কোয়ার্জ প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। উয়েফার প্রশাসনিক কার্যালয় ১৯৯৫ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত৷ শুরুতে ২৫-টি জাতীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার সদস্য হলেও, বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৫৩-টি৷

ইউনিয়ন অব ইউরোপীয়ান ফুটবল এসোসিয়েশন, যা উয়েফা, ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান। ইউরোপের জাতীয় ফুটবল এসোসিয়েশনগুলো এই সংস্থার সদস্য। এটি ইউরোপে জাতীয় ও দলগত পর্যায়ে প্রতিযোগিতা পরিচালনা, খেলোয়াড়ের প্রাইজমানি ও গনমাধ্যম প্রচারনাস্বত্ত্ব এবং খেলার নিয়ম-শৃংখলা রক্ষার কাজ নিয়ন্ত্রন ও সম্পাদন করে। কয়েকটি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান এশিয়া ও ইউরোপের মাঝামাঝি হওয়া সত্ত্বেও এএফসির সদস্য না হয়ে উয়েফার সদস্য হয়েছে। এরা হলো সাইপ্রাস, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, তুরস্ক, কাজাখস্তান, রাশিয়া ও আজারবাইজান (কাজাখস্তান পূর্বে এএফসির সদস্য ছিল)। সাইপ্রাসের কাছে ইউরোপ, এশিয়া অথবা আফ্রিকার সদস্য হওয়ার সুযোগ ছিল এবং তারা নিজেকে ইউরোপীয়ান ফুটবল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

ফিফার ছয়টি মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার মধ্যে উয়েফা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। উয়েফা অন্যান্য সংস্থা থেকে সম্পদ ও প্রভাব প্রতিপত্তির দিক থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী। বিশ্বের প্রায় সব উঁচুমানের খেলোয়াড়েরা বিভিন্ন ইউরোপীয়ান লীগে খেলে থাকেন কেননা এখানে তাদের বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদি অনেক বেশী। পৃথিবীর বিত্তবান ফুটবল দলগুলোর সিংহভাগই ইউরোপে খেলে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ ইংল্যান্ড, ইটালি, স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স প্রভৃতি দেশের লীগ। বিশ্বের শক্তিশালী জাতীয় ফুটবল দলের বেশিরভাগই ইউরোপের। বিশ্বকাপে ৩২টি দেশের মধ্যে ১৪টি দেশ ইউরোপের জন্য বরাদ্দ থাকে। বিশ্ব ফুটবল রাঙ্কিং-এ শীর্ষ ২০টি জাতীয় দলের ১৬টিই উয়েফা সদস্য।

১৯৫৪ সালের ১৫ই জুন সুইজারল্যান্ডের বাসেলে ফ্রান্স, ইটালি ও বেলজিয়ামের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার ফল হিসেবে উয়েফা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫৯ পর্যন্ত উয়েফার সদর দপ্তর প্যারিসে ছিল, পরে সদরদপ্তর বার্নে স্থানান্তরিত করা হয়। হেনরি দেলানয় প্রথম মহাসচিব এবং এবে স্কোয়ার্জ প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। উয়েফার প্রশাসনিক কার্যালয় ১৯৯৫ সাল থেকে সুইজারল্যন্ডের নায়নে অবস্থিত। শুরুতে ২৫টি জাতীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফার সদস্য হলেও বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৫৩টি।

বর্তমান উয়েফা প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনি।

উয়েফা প্রেসিডেন্টগণঃ

এবে স্কোয়ার্জ (১৯৫৪–১৯৬২), ডেনমার্ক

গুস্তাভ উইদেরকের (১৯৬২–১৯৭২†), সুইজারল্যান্ড

আর্তেমিও ফ্রাঞ্চি (১৯৭২–১৯৮৩†), ইটালি

জ্যাক জর্জেস (১৯৮৩-১৯৯০), ফ্রান্স

লিওনার্ট জোহানসন (১৯৯০–২০০৭), সুইডেন

মিশেল প্লাতিনি (২০০৭–বর্তমান), ফ্রান্স

উয়েফা প্রধান নির্বাহীগণঃ

১৯৯৯ সালের আগে এই পদবী  মহাসচিব নামে পরিচিত ছিল।

হেনরি দেলানয় (১৯৫৪-৫৫), ফ্রান্স

পিয়েরে দেলানয় (১৯৫৫-৬০), ফ্রান্স

হ্যান্স ব্যাঙ্গার্টার (১৯৬০–৮৯), সুইজারল্যান্ড

গেরহার্ড এইঙ্গার (১৯৮৯–২০০৩), জার্মানি

লারস-ক্রিস্টার ওলসন (২০০৩-২০০৭), সুইডেন

জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো (২০০৭ সাময়িক), ইটালি

ডেভিড টেলর (২০০৭-বর্তমান), স্কটল্যান্ড

তথ্যসূত্রঃ

১। উয়েফা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

২। উইকিপিডিয়া

Facebook Comments
Article Categories:
ফুটবল